ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিলান্সিং শুরু করার সঠিক গাইডলাইন

1
81
ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিলান্সিং শুরু করার সঠিক গাইডলাইন,কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখবো
ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিলান্সিং শুরু করার সঠিক গাইডলাইন,কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শিখবো

ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) শব্দটি হচ্ছে ইংরেজি শব্দ। ফ্রিল্যান্সিং শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্তপেশা অথবা স্বাধীন পেশা। ফ্রিল্যান্সিং কি? এটি অনেকেই বুঝতে পারেন না। ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে আপনাকে কখনো কারো অধীনে কাজ করতে হবে না। আপনি আপনার ইচ্ছে মত, সুযোগ সুবিধা মত কাজ করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং একটি ইন্টারনেট ভিত্তিক কাজ তাই খুব সহজেই ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব। কাজের মাধ্যমে হাজার হাজার বিদেশী ক্লায়েন্টের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ থাকে।

অনেকেই আছেন ফ্রিল্যান্সিং করে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করতেছে। এটি কিন্তু কোন ধরনের গুজব নয়। অনেকেই এই কথাটিকে বিশ্বাস করতেই চায় না। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে অনেক টাকা আয় করা যায়। তো চলুন ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে বিস্তারিত শুরু করা যাক।

ফ্রিল্যান্সিং কি?

ফ্রিল্যান্সিং
ফ্রিল্যান্সিং

ফ্রিল্যান্সিং হচ্ছে অর্থের বিনিময়ে চুক্তিবদ্ধ ভাবে কাজ করা। অর্থাৎ, দেশে এবং দেশের বাইরে অনেক বড় বড় কোম্পানি আছে যারা তাদের কাজের জন্য কোন লোক রাখে না । বরং যখন কাজ করার প্রয়োজন হয় তখন ইন্টারনেটে কারো মাধ্যমে চুক্তি অনুসারে কাজ করে নেয়। এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াকেই বলা হয় ফ্রিল্যান্সিং ।

ফ্রিল্যান্সিং কি! এটি নিয়ে যেমন জানার জন্য অনেক কৌতূহল রয়েছে ঠিক তেমন মাথাব্যথা রয়েছে। অনেকেই হয়তো ভাবেন যে, ফ্রিল্যান্সিং কত কঠিন কাজ! কত কিছু করতে হবে! কতই না পরিশ্রম করতে হয়। আমার দ্বারা কি ফ্রিল্যান্সিং সম্ভব হবে?

আপনি হয়তো অনেক কিছু ভেবেছেন কিন্তু একটা কথা বলেন , টাকা আয় করার জন্য কোন পথটা সবচেয়ে সহজ? যেখানে কোন পরিশ্রম করতে হয় না! আমি জানি আপনি প্রশ্নটির নির্দিষ্ট কোন উত্তর দিতে পারবেন না ।

কেন পারবেন না জানেন? কারণ, পরিশ্রম ছাড়া কোন কাজেই সফলতা আসেনা। জিবনে ভাল কিছু পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই ভাল কিছুই করতে হবে। তাই নয় কি?

তাহলে কেন আপনি ফ্রিল্যান্সিং পারবেন না? চেষ্টা থাকলে অনেক কিছুই করা সম্ভব। যারা ফ্রিল্যান্সিং করতেছে তারা কি আপনার আমার মত সাধারণ মানুষ নয়? তারা কিভাবে এগুলো করছে! কাজেই, এখানে আপনাকে মেধা খাঁটিয়ে বুঝতে হবে বিষয় গুলো। মনের মধ্যে মনোবল রাখাটা অনেক জরুরি । চলুন তাহলে আরও গভীরে যাওয়া যাক।

ফ্রিল্যান্সিং এবং ফ্রিল্যান্সার ২টি সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস। পুরো বিষয়টা ভেঙ্গে না বললে অনেকেই সঠিক ধারনাটি পাবে না। ফ্রিল্যান্সিং কি? এটি তো অবশ্যই বুঝতে সক্ষম হয়েছেন তাইনা?

আরেকটু সহজ করে বলি, ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসে বিভিন্ন দেশের ক্লায়েন্টের সাথে চুক্তির মাধ্যমে কাজ করে দেওয়ার যে প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ হয় সেটাই ফ্রিল্যান্সিং এবং ফ্রিল্যান্সার হলো যারা এই কাজ গুলো করে দেয় তাদেরকেই বুঝায়।

এখানে আরেকটি বিষয় আছে যেটা হয়তো অনেকেই বুঝেন নাই। সেটা হচ্ছে, ক্লায়েন্ট ! ক্লায়েন্ট কি? ক্লায়েন্ট হল যারা কাজ দেয় তাদেরকে বুঝায়। আশা করছি খুব চমৎকার একটি ধারনা পেয়েছেন।

অনেকেই প্রশ্ন করেন যে, আউটসোর্সিং কি ? আসলে ফ্রিল্যান্সিং হল আউটসোর্সিং এর একটি অংশ মাত্র। আপনি যদি আউটসোর্সিং সম্পর্কে ভালভাবে না জানেন তাহলে এখনি এই পোস্টটি পড়ে আসতে পারেন।

হয়তো ভাবতেছেন ফ্রিল্যান্সিং কি এটা না হয় বুঝলাম কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে করে এই বিষয়ে একটু ধারনা পেলে ভাল হত। কি তাইনা?

আচ্ছা চলুন একটি উদাহরণ দেওয়া যাক! তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে। মনে করুন , আপনি একজন ওয়েব ডিজাইনার । ফ্রিল্যান্সিং এর একটি মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট করেছেন। ক্লায়েন্ট আপনাকে বলল একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে দিতে এবং তার বিনিময়ে আপনাকে নির্দিষ্ট একটি অর্থ প্রদান করবে।

আপনি ক্লায়েন্ট এর চুক্তিতে রাজি হয়ে গেলেন এবং ক্লায়েন্টের চাহিদা বা নিয়ম অনুসারে তাকে ওয়েবসাইট তৈরি করে দিলেন! এতে ক্লায়েন্ট খুশি এবং আপনারও আয় হল। তারপর আপনি যে মার্কেটপ্লেস এ কাজ করবেন সেখানে ক্লায়েন্ট আপনাকে পেমেন্ট করে দিবে।

সেখান থেকে টাকা তোলার জন্য আপনাকে  একটি ব্যাংক একাউন্ট খুলতে হবে। তবে অবশ্যই মাথায় রাখবেন যে, যেসব ব্যাংক একাউন্ট অনলাইন পেমেন্ট সাপোর্ট করে সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলুন। যেমনঃ ডাচ বাংলা ব্যাংক। টাকা তোলার সব চেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে লোকাল ব্যাংক ট্র্যান্সফার ।  তবে আপনি চাইলে Payoneer এর মাধ্যমেও টাকা তুলতে পারেন। তারপর Payoneer থেকে ব্যাংক এ নেওয়া যায় খুব সহজেই।

এখন বলতে পারেন যে, Payoneer কি ? Payoneer হচ্ছে অনলাইনের লেনদেনের একটি ডিজিটাল সেবা।

ফ্রিল্যান্সিং কি পুরো বিষয়টা ভালভাবে বুঝতে হলে শুধু তাড়াহুড়া করলেই চলবে না। মনের মধ্যে অনেক ধৈর্য থাকা দরকার। সঠিকভাবে পরিশ্রম করতে পারলে ৪-৫ থেকেই আপনার আয় শুরু হয়ে যাবে।

ফ্রিল্যান্সিং কেন শিখবো?

আপনি অবশ্যই এই প্রশ্নটি করতে পারেন, ফ্রিল্যান্সিং কেন শিখবো ? তাহলে চলুন এই প্রশ্নের উত্তরটি খোঁজার চেষ্টা করি!

১। ফ্রিল্যান্সিংকে যদি সরকারি একটি চাকরির সাথে তুলনা করা হয় তাহলে দেখা যায় চাকরি করতে হলে সাধারণত সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কাজ করতে লাগে। অপরদিকে ফ্রিল্যান্সিং করার নির্দিষ্ট কোন বাধা ধরা সময় নাই।

২। বেতনের দিক যদি চিন্তা করেন তাহলে সরকারি চাকরির মাসিক বেতন খুব বেশি পাবেন না। অপরদিকে ফ্রিল্যান্সিং এ আয় করার কোন নির্দিষ্ট লিমিট নাই। সাধারণত ফ্রিল্যান্সারদের বেতন অনেক বেশি হয়ে থাকে।

৩। অফিসে প্রতিদিন আক কাজ করতে করতে আপনি বিরক্ত হতে পারেন। অপরদিকে ফ্রিল্যান্সিং এর সব কাজ একই হয়না। প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে পারেন।

৪। অফিসে আপনি স্বাধীন নয়। আপনাকে অবশ্যই কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম কানুন এর মধ্যে দিয়ে চলতে হয়। অপরদিকে ফ্রিল্যান্সিং এ আপনার সম্পূর্ণ স্বাধীন। আপনার ইচ্ছে মত আপনি সবকিছু করতে পারবেন।

৫। অফিসে যেতে হলে অবশ্যই আপনাকে গাড়িতে হোক বা হেটে ! ভ্রমণ করতে হয় প্রতিদিন। অপরদিকে ফ্রিল্যান্সিং এ  বাসায় বসেই  সবকিছু করার সুবিধা রয়েছে।

আপনি যদি জব করেন তাহলে আরো অনেক সমস্যা আছে। একটু ভেবে দেখুন উত্তর পেয়ে যাবেন! কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধা অনেক বেশি রয়েছে। আশা করছি বুঝেছেন।

ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে কি কি কাজ পাওয়া যায়?

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে অনেক কাজ পাওয়া যায়। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস গুলোতে যেসব কাজ বেশি পাওয়া যায় তার একটি তালিকা নিচে দেওয়া হল-

১। ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট।

২। গ্রাফিক্স ডিজাইন ।

৩। অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট।

৪। এসইও  (SEO) ।

৫। সেলস এন্ড মার্কেটিং।

৬। ভিডিও এডিটিং।

৭। বিজনেস সার্ভিস ।

৮। রাইটিং।

শুধু এগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আরো অনেক কাজ আছে তবে এগুলো অনেক জনপ্রিয়। আপনি চাইলে এখান থেকে যেকোন একটি বিষয় বেঁছে নিয়ে কাজ শিখতে পারেন। তবে আমাকে  যদি প্রশ্ন করেন সেরা কোনটি? তাহলে আমি বলব ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট!

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করবো ?

ফ্রিল্যান্সিং কাজ
ফ্রিল্যান্সিং কাজ

ফ্রিল্যান্সিং কি ভাবে শুরু করবো এটি নিয়ে ভাবছেন? ফ্রিল্যান্সিং কি ভাবে করে এই বিষয়ে সংক্ষিপ্ত একটু ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করেছি আগের লেখাগুলোতে । চলুন এখন জেনে নেওয়া কিছু সাধারণ নিয়ম যা মানলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং এ সহজেই সফলতা পাবেন।

১। ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিংকে আগে ভালভাবে বুঝতে পারবে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিৎ আপনি কোন কাজটি শিখবেন? এবং সময় নিয়ে সেটি শিখে ফেলুন।

২। নিয়মিত ২-৩ মাস প্র্যাকটিস করুন। কাজটিকে ভালভাবে নিজের কন্ট্রোল করুন। এমন ভাবে শিখুন যাতে মোটামুটি সবকিছু জানা থাকে।

৩। মার্কেটপ্লেসে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে ফেলুন এবং নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পোর্টফলিও দেখান এবং কাজের জন্য আবেদন করতে থাকুন। আশা করছি এই নিয়ম অনুসরণ করলে খুব দ্রুত কাজ পাওয়া সম্ভব।

এখানে আরেকটি বিষয় অনেকের অজানা থাকতে পারে সেটি হল পোর্টফলিও কি ? পোর্টফলিও হল একটি ওয়েবসাইট যেখানে আপনি নিজের কাজের ,নিজের যোগ্যতার প্রমাণ রাখবেন যাতে ক্লায়েন্ট আপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে সহজেই জানতে সক্ষম হয়। এতে করে আপনার কাজ পাওয়ার আশা কয়েকগুন বেঁড়ে যাবে।

আপনাদের সুবিধার জন্য সেরা কিছু ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের নাম নিচে উল্লেখ করা হল।

ফাইভার (Fiverr) , আপওয়ার্ক (Upwork) , ফ্রিল্যান্সার (Freelancer) , গুরু (Guru) , পিপল পার আওয়ার (Peopleperhour) আরও অনেক সাইট সয়েছে।

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কোন কাজটি শিখবো?

আপনি যেকোন একটি কাজ ভালভাবে শিখে সেটার উপর আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে আমার সাজেশন হল যে, কাজটির চাহিদা সারাজীবন থাকবে এমন একটি কাজ বাছাই করুন। যাতে পরবর্তীতে আফসোস করতে না হয়। এজন্য আমি আগেই আপনাদের বলেছি ফ্রিল্যান্সিং কি এটি আগে বুঝতে হবে।

আরেকটি কথা হচ্ছে , আপনি আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন কোন কাজটি আপনি ভাল পারবেন  ? আপনি যে কাজটি ভাল পারেন অথবা পারবেন সেটি যদি ভাল মনে হয় অর্থাৎ আজীবন ঐ কাজ পাওয়া সম্ভব বা সম্ভাবনা রয়েছে তাহলে আপনি সেই কাজটিই শিখুন আপনার মন যা বলবে।

আমি মনে করি এটিই আপনার জন্য  সঠিক সিদ্ধান্ত। শুধু মনে রাখবেন কাজটি যেন মূল্যবান হয়। এমন  একটি কাজ যার চাহিদা সবসময় থাকবে।

আপনি যে কাজটি ভাল পারেন বা পারবেন সেটির চাহিদা যদি মার্কেটে না থাকে তাহলে সেরা কাজগুলোর মধ্যে একটিকে বেঁছে নেন এবং আপনার অনলাইন যাত্রা শুরু করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবো ?

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবেন? কোন ধারণা পাচ্ছেন না! আমার প্রথম কথা হল আজকাল অনলাইনে অনেক ধোকার ফাঁদ রয়েছে যেখানে প্রতারকরা মানুষের হাজার হাজার টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে! মানুষের আশাকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়ে তাদের মনোবলকে ভেঙ্গে দিচ্ছে। এই কারনেই আজকাল অনেকেই অনলাইনকে বিশ্বাস করতে ইচ্ছুক হয় না।

আপনি আগে খোঁজ করুন আপনার আশেপাশে ভাল কোন প্রতিষ্ঠান আছে কি না  যারা খুব ভাল ট্রেনিং দেয়। এরকম কোন একটি প্রতিষ্ঠানে আপনি কাজ শিখতে পারেন। তা যদি সম্ভব না হয় তাহলে তখন আপনি অনলাইনে ভাল কোন প্রতিষ্ঠানকে বেঁছে নিন যারা বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ শিখায়।

আপনি সেখানে কোর্স শুরু করুন অথবা কাজ করুন কিন্তু সাবধান! আমি আগেই বলেছি কিছু অসাধু লোক আছে যাদের কাজই টাকা মেরে খাওয়া। তাদের ফাদে পা দেবেন না। যে ওয়েবসাইট এ কোর্স নিবেন সেটির আগে ভালভাবে রিভিউ দেখুন তারপর কোর্স করুন!

যেমন উদাহরণ স্বরূপ আপনি আইটি বাড়ি ওয়েবসাইট থেকে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে পারেন। এটি খুব ভাল একটি সাইট এবং হাজার হাজার  শিক্ষার্থী এখানে কোর্স করে। আপনি চাইলে এখানে কাজ শিখতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে একটি ক্যারিয়ারকে বদলে ফেলতে সক্ষম তার প্রচুর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে।

আরেকটি দারুন প্রশ্ন আছে। অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন, ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য কি ইংরেজি শিখতেই হবে ? এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে একটি ইংরেজি লাইন পড়ে তার অর্থ বুঝার ক্ষমতা আপনার থাকতে হবে। তাহলেই আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন কোন সমস্যা হবে না।

তবে, আপনি  যদি ইংরেজিতে ভাল এবং দক্ষ হতে পারেন তাহলে ক্লায়েন্ট এর সাথে আপনার বুঝা পড়া অনেক সহজ। আপনি তার সাথে সরাসরি ভিডিও কলের মাধ্যমে সুন্দরভাবে কাজ বুঝে নিতে পারবেন। ক্লায়েন্ট এর সাথে সম্পর্ক অনেক ভাল হয়। তবে খুব ভাল ইংরেজি না জানলে যে ফ্রিল্যান্সিং করা যাবেনা এটা ভুল ধারণা।

ফ্রিল্যান্সিং কি? ফ্রিল্যান্সিং কি ভাবে শুরু করবো! কি কি শিখবো ! সবকিছু নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে সুন্দর করে বুঝানোর চেষ্টা করেছি। আশা করছি আপনারা চমৎকার একটি ধারণা পেয়েছেন।

আরো পড়ুন –

এই পোস্টটি যদি আপনার ভাল লাগে তাহলে নিচে অবশ্যই আপনার মন্তব্য আমাদের জানান এবং  শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন । আপনার যদি কোন কিছু জানার থাকে? তাহলে কমেন্ট করুন। আমরা আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.