কম্পিউটার ভাইরাস কি? ১২টি ভয়ংকর ভাইরাসের বিস্তারিত! Part-1

0
93
কম্পিউটার ভাইরাস কি? ১২টি ভয়ংকর ভাইরাসের বিস্তারিতকম্পিউটার ভাইরাস কত প্রকার ?!
কম্পিউটার ভাইরাস কি? ১২টি ভয়ংকর ভাইরাসের বিস্তারিত!কম্পিউটার ভাইরাস কত প্রকার ?

কম্পিউটার ভাইরাসের (Computer Virus) সঙ্গে আমরা অনেকেই বিভিন্ন উপায়ে সম্পর্কিত। কম বেশি সবাই অবশ্যই ভাইরাসের শুনতে পেয়েছি আবার অনেকেই এই বিষয়ে একেবারেই নতুন শুনতেছি! আসলেই কি কম্পিউটার এর ভাইরাস আছে ? নাকি নেই! সঠিক উত্তর হল হ্যাঁ। কম্পিউটার এর ভাইরাস আছে।  আমরা অনেকেই কম্পিউটার ব্যাবহার করে থাকি। কিন্তু আমাদের ব্যাবহার করা কম্পিউটার টির যদি কোন নিরাপত্তা না থাকে তাহলে বিষয়টি খুব দুঃখজনক।

ভাইরাস শব্দটি মোটেও ভাল কথা নয়! কারণ, ভাইরাসের অপর নাম বিপদ বলা যায়। তাহলে আমরা অবশ্যই বলতে পারি, কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারের জন্য খুব খারাপ এবং ক্ষতিকর একটি দিক। ভাইরাস কিভাবে কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে? কিভাবে আমরা কম্পিউটারের ভাইরাসের হাত হতে মুক্তি পেতে পারি!  চলুন খুটি নাটি সকল বিষয়ে সুন্দর ভাবে জেনে নিতে শুরু করি।

কম্পিউটার ভাইরাস কি?

আপনি কি জানেন ভাইরাস এর পূর্ণরূপ কি ? কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কে বলার পূর্বে আপনাকে জানতে হবে ভাইরাসের পূর্ণরূপ কি অর্থাৎ ভাইরাস শব্দটির পুরো নাম কি? ভাইরাস(VIRUS) শব্দটি হচ্ছে ইংরেজি শব্দ। ইংরেজি  VIRUS শব্দের মধ্যে ৫ টি অক্ষর রয়েছে। এই পাঁচটি অক্ষর এর একটি নির্দিষ্ট পূর্ণরূপ রয়েছে। ভাইরাস(VIRUS) শব্দটির পুরো নাম হল- Vital information resources under sieze .  এই পূর্ণরূপের মাঝেই ভাইরাসের মূলভাব লুকিয়ে রয়েছে।

কম্পিউটার ভাইরাস
কম্পিউটার ভাইরাস

কম্পিউটার এর ভাইরাস বলতে এমন একটি দূষিত কোড বা প্রোগ্রামকে বুঝায় যা কম্পিউটারের সকল ভাল সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম গুলোকে নষ্ট করে দিতে সক্ষম। সুতরাং, মনে করুন আপনার কম্পিউটার এ আপনি কোন একটি ফোল্ডার বা ফাইলকে রেখেছেন।

কিছু সময় বা কিছুদিন পর দেখছেন সেটি নেই, ওপেন হচ্ছে না অথবা অন্য কোথাও গিয়ে আছে। এটি কেন হয় ? এর কারণ হচ্ছে আপনার কম্পিউটারে এমন কতিপয় দূষিত প্রোগ্রাম আছে যা ভাল প্রোগ্রাম গুলোকে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম!

কম্পিউটার এর ভাইরাস কম্পিউটারের সিস্টেমকে সরাসরি আঘাত করে । তারপর কম্পিউটারে সচল থাকা প্রোগ্রাম গুলোকে বাঁধা প্রদান করে। ফলে প্রোগ্রামগুলো সঠিকভাবে কাজ করেনা। শুধু তাই নয়, আপনার কম্পিউটার এর গতিকে কমিয়ে দেয়।

ভাইরাস জনিত কম্পিউটারে আপনি ভালভাবে কিছুই করতে পারবেন না। বারবার আপনার প্রোগ্রামকে বাঁধা প্রদান করার মাধ্যমে সিস্টেমকে কাজের অনুপযোগী করে। তাহলে আপনি এখন প্রশ্ন করতে পারেন যে, তাহলে এই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করার উদ্দেশ্য কি?

অবশ্যই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরির উদ্দেশ্য আছে। তবে ভাইরাস তৈরি প্রধান উদ্দেশ্য হল তথ্য চুরি করা। কম্পিউটার ভাইরাস এর মাধ্যমে একটি কম্পিউটার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য গুলো খুব সহজেই হাতিয়ে নেওয়া সম্ভব।

কম্পিউটারে  ভাইরাস থাকা মানে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপনার তথ্য গুলো মুহূর্তের মধ্যে আপনার হাতের বাইরে চলে  যাওয়া। কাজেই কম্পিউটার ভাইরাস একটি ভয়ংকর ব্যাপার। শুধু তাই নয় বরং আপনি যদি একজন সাধারণ ব্যাবহারকারী হয়ে থাকেন তাহলে ভাইরাসের উপস্থিতি আপনি সহজে বুঝতেই পারবেন না । আপনি জানবেন না, কম্পিউটার ভাইরাস কিভাবে আপনার ডিভাইসের ক্ষতি সাধন করছে।

কম্পিউটার ভাইরাস কে আবিষ্কার করেন?

কম্পিউটার ভাইরাস কে আবিষ্কার করেন এই নিয়ে রয়েছে অনেক মতপার্থক্য । তবে বেশি সংখ্যক ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস প্রথম আবিষ্কার করা হয় ১৯৮৩ সালের ১০ই নভেম্বর। যুক্তরাষ্ট্রের southern california বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণির একজন ছাত্র ছিলেন যার নাম ছিল ফ্রেড কোহেন ।

সে সর্বপ্রথম কম্পিউটার ভাইরাস দেখান। ফ্রেড কোহেন তার তৈরি কৃত একটি প্রোগ্রাম ব্যাবহার করে সকল কিছু তার নিয়ন্ত্রনে করে নিয়ে সকলকে অবাক করে দিয়েছিলেন। তার প্রোগ্রাম এর কাছে কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা কাজ করেছিল না । তখন এটির নামকরণ করা হল ভাইরাস। তখন থেকেই কম্পিউটার ভাইরাস এর উৎপত্তি।

আবার অনেকেই মনে করেন, এটি সর্বপ্রথম ভাইরাস নয়। ১৯৮২ সালে ১৫ বছরের এক তরুন কিশোর একটি ফ্লপি ডিস্কের মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে অ্যাপলকে আক্রমণ করতে সফলতা পেয়েছিল।

আবার কারো মতে,১৯৭১ সালে প্রথম কম্পিউটার এর ভাইরাস এর উৎপত্তি হয়েছিল। রবার্ট থমাস নামের এক কম্পিউটার প্রোগ্রামার একটি প্রোগ্রাম লিখেছিল এবং এটি পরিক্ষামুলক তৈরি করা হয়েছিল।

আমাদের শরীরেও ভাইরাস এর উপস্থিতি পাওয়া যায়। কম্পিউটার এর ভাইরাস  আকারে অনেক ছোট এবং ক্ষতিকর।

কম্পিউটার ভাইরাস কত প্রকার ?

কম্পিউটার ভাইরাস কয়টি বা কম্পিউটার ভাইরাস কত প্রকার সেটা নির্দিষ্টভাবে বলা যাবেনা। কারণ, এখনকার সময়ে নিত্য নতুন ভাইরাস এর আবির্ভাব হচ্ছে। তবে কম্পিউটারের জন্য খুব ক্ষতিকর কিছু ভাইরাস রয়েছে যা ইতিমধ্যেই অনেক জনপ্রিয়। ত চলুন জেনে নেওয়া যাক জনপ্রিয় ক্ষতিকর ভাইরাসগুলো সম্পর্কে যা একজন কম্পিউটার ব্যাবহার কারী হিসাবে আপনার জানা উচিৎ।

কম্পিউটার ভাইরাস কত প্রকার
কম্পিউটার ভাইরাস

১। ব্রাউজার হিজাকেরস (Browser Hijackers):

আপনি যখন কম্পিউটার ব্যাবহার করার সময় ব্রাউজার থেকে কিছু ডাউনলোড করেন অথবা কোন ওয়েবসাইট এ ঢোকার চেষ্টা করেন তখন এটি আপনার ব্রাউজারে সরাসরি আঘাত করতে পারে। কিভাবে !?

ধরুন ,আপনি ব্রাউজারের দ্বারাই কিছু ডাউনলোড করলেন এবং ভাইরাসটি ঐ ডাউনলোড ফাইলের মধ্যে থাকতে পারে এবং কিছুক্ষণ পর আপনার ব্রাউজার আপনার ইচ্ছার বাইরে কাজ করতে শুরু করে দেয়। যেমনঃ বিভিন্ন রকমের বিজ্ঞাপন দেখায়, আপনার ইচ্ছার বাইরে অনেক প্রকার ওয়েবসাইটে আপনাকে নিয়ে যায় ইত্যাদি। আপনার অজানা কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করার ফলেও এমনটি ঘটে।

২। ওয়েব স্ক্রিপ্টিং ভাইরাস (Web scripting virus):

বর্তমানে সময়ে যারা কম্পিউটার ব্যাবহার করার সময় যারা ওয়েব ব্রাউজিং করি তাদের মধ্যেই বেশিরভাগ মানুষই এর ভাইরাস এর ফাঁদে পড়ে যায়। এই ধরনের ভাইরাস গুলো বিভিন্ন লিঙ্ক, চিত্র, ভিডিও গুলোর মাধ্যমে ছড়ায়। আপনি যদি কোন প্রোগ্রাম ডাউনলোড করেন তাহলে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে কারণ এই পদ্ধতিতেই ভাইরাসটি বেশি  ছড়ায়।

কাজেই আপনার উচিৎ অজানা কোন ওয়েবসাইট থেকে কোন কিছু ফাইল ডাউনলোড করা যাবে না। তাছাড়া, এই ভাইরাস গুলো এই ধরনের ওয়েবসাইটের দ্বারাই প্রতিবার আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে।

৩।বুট সেক্টর ভাইরাস (Boot sector virus):

কম্পিউটারের আলোচিত একটি ভাইরাসের নাম হল বুট সেক্টর ভাইরাস। এর মধ্যে পার্টিশন বিষয়ে তথ্যগুলো থাকে। অর্থাৎ, আপনার কম্পিউটারের সিস্টেমটি কিভাবে কাজ করবে সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম বুট সেক্টর।

আপনার কম্পিউটার এর বুট সেক্টরকে ধ্বংস করাই এই ভাইরাস এর প্রধান উদ্দেশ্য। বুট সেক্টর ভাইরাস আপনার সিস্টেম এ নিজের কোড প্রতিস্থাপন করার চেষ্টা করে এবং আপনার সিস্টেমকে পর্যায়ক্রমে নষ্ট করার চেষ্টা করে।

যখন কম্পিউটার চালু করা হয় কম্পিউটার এর কোন ড্রাইভ এ যদি Non Bootable disk থাকে তাহলে সেটি boot হওয়ার চেষ্টা করে । আপনি এখন প্রশ্ন করতে পারেন যে, বুট সেক্টর ভাইরাস এর নাম কি? এর নাম হচ্ছে Brain.

তবে বর্তমান সময়ে এই ভাইরাস নেই বললেই চলে তারপর ও বিভিন্নভাবে কম্পিউটার কে আক্রমণ করার চেষ্টা করে। তবে যাইহোক এসব কিছু থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য যা করতে হবে সেগুলো নিচে আলোচনা করবো।

৪। রেসিডেন্ট ভাইরাস (Resident virus):

আমরা সবাই এই ভাইরাস সম্পর্কে জানি ! কি অবাক হলেন? হ্যাঁ অবশ্যই আপনি এই ভাইরাস সম্পর্কে জানেন। কিভাবে? এই ভাইরাস সম্পর্কে বিস্তারিত বললেই বুঝতে পারবেন! রেসিডেন্ট ভাইরাস হল এমন একটি ভাইরাস যা মেমরিতে বা Ram এর মধ্যে সঞ্চিত থাকে। আমরা অবশ্যই দেখেছি যে আমাদের মোবাইল এর মেমরিতে ভাইরাস এর কারণে বিভিন্ন সমস্যা হয়।

আপনি না দেখলেও আশা করছি অবশ্যই শুনেছেন! একই কাজটি কম্পিউটারের মধ্যেও ঘটে।  এই ভাইরাসটিকেই রেসিডেন্ট ভাইরাস বলে। এই ধরনের ভাইরাসগুলো আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফাইল গুলোকে আঘাত করে তা নষ্ট করে করতে সক্ষম। এগুলো বিভিন্ন উপায়ে প্রবেশ করে।

৫। ম্যাক্রো ভাইরাস (Macro virus):

ম্যাক্রো ভাইরাস ই-মেইল, বিভিন্ন ধরনের মিডিয়া, অনেক প্রকারের নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এটি সনাক্ত করা একটু কঠিন কাজ। এটি এমন একটি ভাইরাস, আপনি একবার ম্যাক্রো ভাইরাস যুক্ত কোন ফাইল বা প্রোগ্রাম খুললে তা খুব সহজেই আপনার সিস্টেমে ঢুকবে এবং আঘাত করবে।

এটি সিস্টেমের অনেক যায়গা গুলো্তে মারাত্মক ভাবে দূষিত করে দেয়। ম্যাক্রো ভাইরাসগুলো ব্যাবহার কারীর অনুমতি ছাড়ায় ছড়িয়ে পড়ার জন্য ব্যাবহার করা হয়ে থাকে। যখন আমরা প্রোগ্রাম ইন্সটল করি তখনি এটি ঢুকে যায় । যেহেতু এই ভাইরাসটি কোন প্রোগ্রামের দ্বারাই ছড়িয়ে পড়ে সেহেতু এটি আপনার সিস্টেমকে প্রভাবিত করতে সক্ষম। যেমন ধরুন, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ।

৬। ডিরেক্ট একশন ভাইরাস (Direct action virus):

Direct action virus খুব অসুবিধাজনক ভাইরাস নয়।  Direct action virus সরাসরি নির্দিষ্ট কোন ফাইলে আঘাত করতে পারে।

Direct action virus ভাইরাসের কাজ হচ্ছে প্রোগ্রামকে নতুন করে আবার খোলা । অর্থাৎ, মাঝে মাঝে লক্ষ্য করবেন কোন প্রোগ্রাম খোলার পর সেটি আবারও বন্ধ হয়ে যায় এবং আমরা আবার খুলি । এই সমস্যাটি Direct action virus এর জন্যই হয়ে থাকে।

৭। মাল্টিপারটাইটি ভাইরাস (Multipartite virus):

এই ভাইরাসটি কম্পিউটা্রের মধ্যে খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ার জন্য বিখ্যাত। মাল্টিপারটাইটি ভাইরাস কম্পিউটারের বুট সেক্টর এবং  সিস্টেমকে একসাথে আক্রমণ করতে পারে। এই ধরনের ভাইরাসগুলো বুট সেক্টর, সিস্টেম এ সরাসরি আঘাত করে।

যেহেতু এটি একসাথে আক্রমণ করতে সক্ষম তাই অন্য যেকোন ভাইরাসের তুলনায় বেশি ক্ষতি করতে পারে। বুট সেক্টরে আঘাত করলে কম্পিউটার চালু করার সময় বুট সেক্টর ভাইরাস ট্রিগার হয়।

মাল্টিপারটাইটি ভাইরাস একবার ট্রিগার হয়ে পড়লে মারাত্মকভাবে ক্ষতি সাধন করে। এই ভাইরাসটি বারবার কম্পিউটার সিস্টেমে্র মধ্যে আঘাত করে এবং বিভিন্ন সময়ে এটিকে সংক্রমিত করে ফেলে।

৮। নেটওয়ার্ক ভাইরাস (Network virus):

নেটওয়ার্ক ভাইরাসটি স্থানীয় নেটওয়ার্ক LAN এর দ্বারা ছড়িয়ে পড়ে। ফলে আমাদেরকে অনেক ধরনের সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। শুধু তাই নয় এই ভাইরাসের প্রভাবের কারণে নেটওয়ার্ক সংযোগ সম্পূর্ণ অক্ষম হয়ে যায়। ডিভাইস এবং সিস্টেমেও প্রভাব পড়ে। যা মারাত্মক একটি ভয়ানক দিক হয়ে দাঁড়ায়।

৯। ফাইল সংক্রমণ ভাইরাস (File Infector Virus):

ফাইল সংক্রমণ ভাইরাস এটি একটি ফাইল সংক্রামক ভাইরাস। অর্থাৎ, এই ভাইরাসটি কম্পিউটার এর বিভিন্ন ফাইলকে একসাথে আঘাত হানতে সক্ষম। ফাইল সংক্রমণ ভাইরাস সরাসরি নির্দিষ্ট কোন ফাইলে আঘাত করে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই .com .exe এক্সটেনশন গুলি এই ভাইরাস দ্বারা সহজেই আক্রান্ত হয়ে যায়।

১০। এনক্রিপ্টড ভাইরাস (Incrypted virus):

এনক্রিপ্টড ভাইরাস এমন একটি যা সনাক্ত করা অনেক জটিল। বিশেষ করে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ও সহজে ধরতে পারে না। এর প্রধাণ কারণ কি ! এর কারণ হচ্ছে এনক্রিপ্টড ভাইরাসটি মেলিসিয়াস কোড ব্যাবহার করে এজন্য একে ধরে ফেলা অনেকটা কঠিন বলা যায়।

এনক্রিপ্ট করা যেকোন কিছুর জন্য যখন একটি Key দরকার হয় তখন এই ভাইরাসটি ব্যাবহার হয়। আপনার পিসির পারফমেন্স খুব খারাপভাবে ব্যাহত করতে সক্ষম এনক্রিপ্টড ভাইরাস ।

১১। স্পেসফিলার ভাইরাস(Spacefiller Virus):

স্পেসফিলার ভাইরাসের অপর আরো একটি নাম হল ক্যাভিটি ( Cavity ) । অর্থাৎ, এই ভাইরাসটি ক্যাভিটি নামেও বেশ পরিচিত। স্পেসফিলার ভাইরাস কোডগুলোর মধ্যে থাকা ফাকা স্থান দখল করে নেয়। স্পেসফিলার ভাইরাসটি খুব বেশি আশংকাজনক নয়। এর কারণ হচ্ছে, এই ভাইরাসের দ্বারা কম্পিউটারের ফাইল আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

১২। পলিমারফিক ভাইরাস(Polymorphic Virus):

পলিমারফিক ভাইরাস হল একটি মারাত্মক ধ্বংসাত্মক ভাইরাস। এন্টিমালওয়ার প্রোগ্রামের সাহায্যে সনাক্তকরণকে অনেক জটিল করে তোলে। ফলে কম্পিউটারের মদ্ধে বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। যেমনঃ ফোল্ডার হারিয়ে যায় বা নাম পরিবর্তন হয়ে যায় ইত্যাদি।

কম্পিউটার এমন একটি প্রয়োজনীয় যন্ত্র যা মানুষের অনেক দরকারী কাজে আসে। কম্পিউটারে যদি একবার ভাইরাস আক্রমণ করতে সক্ষম হয় তাহলে সেটি অবশ্যই একটি হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

কাজেই আপনার উচিৎ কম্পিউটারকে সবসময় ভাইরাস মুক্ত রাখা। শুধু তাই নয় এখন আপনি হয়তো ভাবতেছেন যে কম্পিউটার ভাইরাস এর লক্ষণ গুলো কি কি এবং কিভাবে কম্পিউটার ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়া যায় । এই বিষয় সম্পর্কে জানতে আপনি  এই পোষ্টটি পড়তে পারেন।

এই পোস্টটি  যদি আপনার ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলবেন না। হয়তো আপনার একটি শেয়ার এর জন্য কম্পিউটার ভাইরাস সম্পর্কে আরেকজন কিছু শিখতে পারবে। যাইহোক, আপনার যদি কোন কিছু জানার থাকে তাহলে নিচে সুন্দর করে কমেন্ট করুন। আমরা আপনার প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.